নাটোরের গুরুদাসপুরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব খাতের আওতায় অভ্যন্তরীণ জলাভূমি, প্লাবনভূমি ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।

মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি, দেশীয় মাছের প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য মাছের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল আজিজ। এতে সভাপতিত্ব করেন গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহমিদা আফরোজ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ওমর আলী, গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল হান্নান, উপজেলা প্রকৌশলী মিলন মিয়া, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রতন চন্দ্র শাহা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা আমিনুর রশিদ, কৃষি কর্মকর্তা রাফিউল ইসলাম, উপজেলা বিএনডিসি কর্মকর্তা সাইদুল ইসলামসহ উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

কর্মসূচির আওতায় উপজেলা প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়সহ বিভিন্ন জলাশয়ে বিভিন্ন জাতের মোট ২৮৫ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়।

মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, জলাশয়গুলোতে পরিকল্পিতভাবে পোনামাছ অবমুক্ত করার মাধ্যমে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের প্রজনন পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এ উদ্যোগ। অবমুক্ত করা মাছ সংরক্ষণে স্থানীয়দেরও সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়।

গুরুদাসপুর উপজেলা প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তের পর উপজেলার অন্যান্য জলাশয়েও পোনা মাছ অবমুক্ত করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রতন চন্দ্র শাহা।

কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করে গুরুদাসপুর সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়।